পুরাণ
১> পুরাণ শব্দের অর্থ কী?
⇒ পুরাণ শব্দের অর্থ
হলো প্রাচীন কাহিনি।
২> পুরাণ কাকে বলে?
⇒ অতীতের ঘটনাকে পুরাণ
বলে।
৩> পুরাণের রচয়িতা কে?
⇒ মহর্ষি কৃষ্ণদ্বৈপায়ন
বেদব্যাস।
৪> এই পুরাণগুলি কোন সময়ে রচিত হয়েছিল?
⇒ পুরাণগুলি কোনো
একটি বিশেষ সময়ে রচনা নয়। মোটামুটিভাবে বলা যায় খ্রিস্টপূর্ব ৪ঠা শতাব্দী থেকে বিভিন্ন
সময়ে পুরাণগুলি রচিত হয়েছিল।
৫> পুরাণের কয়টি লক্ষণ ও কী কী?
⇒ পাঁচটি লক্ষণ। যথা—সর্গ,
প্রতিসর্গ, বংশ, মন্বন্তর এবং বংশানুচরিত।
৬> সর্গ কী?
⇒ সর্গের অর্থ হলো
সৃষ্টি。
৭> সৃষ্টি কয় প্রকার ও কী কী?
⇒ পৌরাণিক সৃষ্টি
নয় প্রকার। যথা—মহৎসর্গ, ভূতসর্গ, ঐন্দ্রিয়ক, স্থাবর, তির্যক, ঊর্ধ্বস্রোত, অর্বাকস্রোত,
অনুগ্রহ ও কৌমার।
৮> প্রতিসর্গ কী?
⇒ সৃষ্টির পরে পুনরায়
সৃষ্টি হলো প্রতিসর্গ।
৯> বংশ কী?
⇒ দেববংশ, ধর্মবংশ
এবং ঋষিবংশ। ঋষিবংশের মূল পঞ্জি রক্ষা করাই হলো বংশের বর্ণনা।
১০> মন্বন্তর কাকে বলে?
⇒ এক এক মনুর সময়কালকে
মন্বন্তর বলা হয়।
১১> এক এক মনুর সময়কাল কত?
⇒ এক এক মনুর সময়কাল
৩০,৬৭,২০,০০০ বছর।
১২> বংশানুচরিত কী?
⇒ বিভিন্ন রাজবংশের
কাহিনি হলো বংশানুচরিত।
১৩> পুরাণের কয়টি বিভাগ ও কী কী?
⇒ পুরাণের দুটি বিভাগ—মহাপুরাণ
ও উপপুরাণ।
১৪> আদি পুরাণ কী?
⇒ আদি পুরাণ হলো ব্রহ্মপুরাণ।
১৫> শৈব পুরাণ কার অপর নাম?
⇒ বায়ু পুরাণ।
১৬> সর্বাধিক জনপ্রিয় ও প্রসিদ্ধ পুরাণের নাম কী?
⇒ ভাগবত পুরাণ।
১৭> সর্ববৃহৎ পুরাণের নাম কী?
⇒ স্কন্দ পুরাণ (৮১,০০০
শ্লোক)।
১৮> ক্ষুদ্রতম পুরাণের নাম কী?
⇒ কূর্মপুরাণ (১৮,০০০
শ্লোক)।
১৯> শ্রী শ্রী চণ্ডীর উৎস কোন পুরাণ?
⇒ মার্কণ্ডেয় পুরাণ।
২০> মঙ্গলকাব্যের উৎস কোন পুরাণ?
⇒ ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ।
২১> পুরাণের উল্লেখ কোথায় পাওয়া যায়?
⇒ সামবেদ এবং উপনিষদে।
২২> মহাপুরাণ কাকে বলে?
⇒ প্রধান আঠারোটি
পুরাণকে মহাপুরাণ বলা হয়।
২৩> পুরাণে কোন কোন দেবতার প্রাধান্য দেখা যায়?
⇒ ব্রহ্মা, বিষ্ণু
ও মাহেশ্বর।
২৪> কোন পুরাণ 'পঞ্চম বেদ' নামে পরিচিত?
⇒ ভাগবত পুরাণ।
২৫> কোন পুরাণকে 'বিশ্বকোষ' বলা হয়?
⇒ অগ্নি পুরাণ।
২৬> কোন পুরাণে পূজার কথা বলা হয়েছে?
⇒ অগ্নি পুরাণ।
২৭> অগ্নি পুরাণে কয় প্রকার মূর্তির কথা বলা হয়েছে?
⇒ সাত প্রকার।
২৮> সেগুলি কী কী?
⇒ স্বর্ণময়, রজতময়,
কাংস্যময়, তাম্রময়, লৌহময়, কাষ্ঠময় এবং মৃন্ময়।
২৯> পুরাণের মহৎ ধর্ম কী?
⇒ দম, দয়া ও দান করা।
৩০> বিবাহ কয় প্রকার ও কী কী?
⇒ বিবাহ আট প্রকার।
যথা—ব্রাহ্ম, দৈব, আর্য, প্রাজাপত্য, আসুর, গান্ধর্ব, রাক্ষস ও পৈশাচ।
৩১> আদম-নোয়ার কাহিনি কোন পুরাণে উল্লিখিত?
⇒ ভবিষ্য পুরাণ।
৩২> শতপথ ব্রাহ্মণে পুরাণকে কী বলা হয়েছে?
⇒ পঞ্চম বেদ।
আপনার কি অন্য কোনো বিষয়ের নোট বা সাহায্য লাগবে?
0 Comments